calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / কাবাগৃহ বিশ্বের সর্ব প্রথম এবাদতের স্থান-১
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

কাবাগৃহ বিশ্বের সর্ব প্রথম এবাদতের স্থান-১

বাইতুল্লাহ বা কাবাগৃহ বিশ্বে সর্ব প্রথম এবাদতের স্থান। এতদপ্রসঙ্গে আল কুরআনে ইরশাদ হয়েছে : নিশ্চয়ই মানব জাতির জন্য সর্ব প্রথম যে ঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তাতো মক্কায় (বাক্কায়) যা বরকতময় ও বিশ্ব জগতের হেদায়েত হিসেবে চিহ্নিত।...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জুন ২০২৩ • রাত ১১:৫৯
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৪৪ বার পঠিত

এই আয়াতে কারীমায় ‘বাক্কা’ শব্দটি এসেছে। বাক্কা শব্দের অর্থ হলো মক্কা। এখানে ‘মীম’ অক্ষরকে ‘বা’ অক্ষর দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছে। আরবি ভাষায় এর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে। অথবা উচ্চারণ ভেঙ্গে মক্কার অপর নাম বাক্কা। তাই মক্কা এবং বাক্কা একই স্থানের উচ্ছারণ ভেদে দু’টি নাম। সুতরাং বাক্কা এবং মক্কা শব্দ দ্বারা সুনির্দিষ্ট একটি স্থানের প্রতিই-ইঙ্গিত করা হয়েছে। আরও লক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে এই যে, আল কুরআনে বাক্কা নামটি মাত্র একবার ব্যবহৃত হয়েছে। যা আলোচ্য আয়াতে বিদ্যমান আছে।

গভীর দৃষ্টিতে তাকালে এটাও লক্ষ্য করা যায় যে, মক্কা নামটিও আল কুরআনে একবারই এসেছে। যেমন ইরশাদ হয়েছে : তিনি মক্কা উপত্যকায় তাদের হাত তোমাদের থেকে এবং তোমাদের হাত তাদের থেকে নিবারিত করেছেন, তাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করার পর; আর তোমরা যা কিছু কর আল্লাহপাক তার সম্যক দ্রষ্টা। (সূরা আল ফাতহ : আয়াত-২৪)।

এই আয়াতে কারীমায় বলা হয়েছে যে, মহান আল্লাহপাক মুসলমানদেরকে বিজয়ী করার পর কাফেরদের হাত মুসলমানদের থেকে এবং মুসলমানদের হাত কাফেরদের থেকে নিবারিত করেছেন। এর মূল ঘটনা হলো এই যে, ‘একবার মক্কার আশি জন কাফের তানঈম পাহাড়ে একত্রিত হয়ে এই পরিকল্পনা করল যে, তারা অতর্কিতে আক্রমন করে পিয়ারা নবী মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) কে হত্যা করবে। এই ইচ্ছা নিয়ে তারা পাহাড় থেকে নিচে অবতরণ করে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) পূর্বাহ্নেই তাদের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হয়েছিলেন, তাই তিনি স্বীয় সাহাবায়ে কেরাম সহকারে তাদেরকে সদলবলে জীবিত অবস্থায় গ্রেফতার করেন। এবং মুক্তিপণ ছাড়াই তাদেরকে মুক্ত করে দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সূরা আল কাফত-এর ২৪ নং আয়াতটি নাজিল হয়। (সহিহ মুসলিম : ১৮০৮)।

তাছাড়া এই আয়াতে ‘বিবাতনি মাক্কাতা’ অর্থাৎ মক্কা উপত্যকা শব্দের আসল অর্থ মক্কা শহরই। কিন্তু এখানে হুদয়াবিয়ার স্থান বোঝানো হয়েছে। মক্কার সন্নিকটে অবস্থিত হওয়ার কারণে হুদায়াবিয়াকেই ‘বাতনে মক্কা’ বলে ব্যক্ত করা হয়েছে।

মোটকথা, সূরা আলে ইমরানের ৯৬ নং আয়াতে সারা বিশ্বের সকল গৃহ এমন কি মসজিদ ও উপাসনালয় সমূহের মোকাবিলায় ও কাবাগৃহের শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণিত হয়েছে। এই শ্রেষ্ঠত্বেও তিনটি কারণ উক্ত আয়াতে বিবৃত হয়েছে, প্রথমত : কাবা গৃহ সারা বিশ্বে সর্ব প্রথম এবাদত গৃহ। তার পূর্বে এই পৃথিবীতে কোনো এবাদতের গৃহ নির্মিত হয়নি। উপরোক্ত আয়াতে এ কথাই সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, মানব জাতির এবাদতের জন্য সর্ব প্রথম যে গৃহ আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করা হয় তা ঐ গৃহ, যা বাক্কায় (মক্কার অপর নাম ছিল বাক্কা) অবস্থিত। সুতরাং কাবাগৃহ বিশ্বের সর্ব প্রথম এবাদত গৃহ। ইতঃপূর্বে কোনো উপাসনালয় ও ছিল না এবং বাস গৃহও ছিল না। হযরত আদম (আ.) ছিলেন আল্লাহর নবী। পৃথিবীতে আগমনের পর তিনি নিজের জন্য বাসগৃহ নির্মাণের আগেই আল্লাহর ইঙ্গিতক্রমে ইবাদতের গৃহ কাবাঘর নির্মাণ করেছিলেন।

tag ট্যাগ: #1111