শাহজাদার বড় বোন আজমেহ বলেন, সুলেমান তার এক আত্মীয়কে জানিয়েছিলেন, তিনি টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যেতে চাইছেন না। তার ভয় লাগছিল। তবে ভ্রমণের তারিখটি বাবা দিবসের সপ্তাহে পড়ায় বাবাকে খুশি করতে ভ্রমণে রাজি হন তিনি। কারণ, তার বাবা শাহজাদা টাইটানিকের ব্যাপারে খুব উৎসাহী ছিলেন।
আমস্টারডামের বাড়ি থেকে টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আজমেহ আরও বলেন, ‘সুলেমানের কথা মনে পড়ছে। ১৯ বছর বয়সী ছেলেটি হয়তো একটু শ্বাস নেওয়ার জন্য ছটফট করেছে।’
সমুদ্র পর্যটনে সাবমেরিনটি পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওশানগেট। গতকাল প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ দুর্ঘটনায় সাবমেরিনটির পাঁচ আরোহীই মারা গেছেন।