নির্বাচনের ১৪ দিন পর সোমবার (২৬ জুন) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করলেন। কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে একইসাথে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি দাবি করেছেন, তার বক্তব্য ‘বিকৃতভাবে’ গণমাধ্যমে উপস্থাপনের কারণে এ ধরনের ‘ভুল বোঝাবুঝির’ সৃষ্টি হয়েছে।
গত ১২ জুন বরিশাল সিটির ভোটের দিন হামলার শিকার হন ফয়জুল করিম। ভোট শেষে ঢাকায় নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকেরা সিইসির কাছে প্রশ্ন রেখেছিলেন, ‘একজন মেয়রপ্রার্থীকে রক্তাক্ত করা হলেও এই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ বলা যায় কি না?’
জবাবে সিইসি বলেছিলেন, ‘এটা আপেক্ষিক। রক্তাক্ত সবকিছু আপেক্ষিক, উনি কি ইন্তেকাল করেছেন? আমরা দেখেছি-না, উনি কি কতটা...উনার রক্তক্ষরণটা দেখিনি। যতটা শুনেছি-উনাকে কেউ পেছন থেকে ঘুষি মেরেছে। উনিও বলেছেন, ভোট বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না, তাকে আক্রমণ করা হয়েছে।’
সিইসির এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সমালোচনা হয়। ‘উনি কি ইন্তেকাল করেছেন’-এমন বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমাপ্রার্থনা, পদত্যাগ ও ৫০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সিইসি বরাবর আইনি নোটিশ পাঠান চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। ২২ জুন এই নোটিশ পাঠানো হয়। এরপর সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিইসির দুঃখ প্রকাশের কথা জানায় ইসি।