রাশিয়ার সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ এনে গত শনিবার বিদ্রোহ করে ভাগনার গ্রুপ। এই বিদ্রোহ ব্যর্থ হলে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় প্রিগোজিনের সঙ্গে ক্রেমলিনের চুক্তি হয়। এই চুক্তি অনুসারে তিনি বেলারুশে গেছেন। এরপর স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্যাট্রিক রাইডার আরও বলেন, ‘তারা (ওয়াগনার যোদ্ধা) হয়তো যুদ্ধে অংশ নেবেন কি নেবেন না, এই বিষয়ে আমি কোনো অনুমান করছি না।’
এদিকে রাশিয়ায় ওয়াগনারদের বিদ্রোহের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী কোনো পদক্ষেপ নেবে না বলে জানিয়েছেন প্যাট্রিক রাইডার। তিনি বলেন, ‘আমাদের দিক থেকে আমরা এমন কিছু দেখছি না যে, আমাদের বাহিনীকে নতুন কোনো পদক্ষেপ নিতে হবে।
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন ওয়াগনার সদস্যরা। পূর্ব ইউক্রেনের বাখমুত শহরে যুদ্ধে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তারা। তবে অস্ত্র সরবরাহে ঘাটতিসহ নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরে রুশ সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ ছিলেন প্রিগোজিন। সর্বশেষ শুক্রবার রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে ওয়াগনার যোদ্ধাদের ওপর হামলা হয়েছে—এমন অভিযোগের পর বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। এরপর রোস্তভ-অন-দন শহরের সামরিক সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নেয় ভাগনার বাহিনী। এ ছাড়া মস্কো অভিমুখেও যাত্রা করেছিলেন ওয়াগনার যোদ্ধারা। তবে মাঝ পথে তারা থেমে যান।
সূত্র: সিএনএন