প্রিগোশিনের ভাগ্যে কী আছে, সেটা অবশ্য এখনও জানা যাচ্ছে না। কারণ, গত শনিবারের বিদ্রোহের জেরে যেসব অভিযোগ প্রিগোশিন ও তার যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল, সেগুলো তুলে নেওয়া হয়েছে। বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকসান্দার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় ক্রেমলিন ও প্রিগোশিনের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তির পর প্রিগোশিন বেলারুশে গেছেন। তবে তার বাহিনীর সদস্যরা রাশিয়ার নিয়মিত বাহিনীতে যোগ দেবেন, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই প্রস্তাব খারিজ করেছেন প্রিগোশিন।
এদিকে ক্রেমলিন বলছে, নিয়মিত বাহিনীতে যোগ না দেওয়ায় ভাগনার যোদ্ধাদের আর অর্থ দেওয়া হবে না। তারা আর ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেবেন না। ফলে ভাগনার যোদ্ধারা এখন কী করবেন, সেটাও স্পষ্ট নয়।