এদিকে আইসিসি’র সদস্য হওয়ায় আশা করা হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায় পা রাখার সাথে সাথেই পুতিনকে গ্রেফতার করা হবে। যদিও বর্ণবাদ বিরোধী লড়াইয়ের সময় থেকেই ক্রেমলিনের সাথে প্রিটোরিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাই পুতিনকে গ্রেফতারে প্রিটোরিয়ার কূটনৈতিক দ্বিধা থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে গুঞ্জন রয়েছে পুতিনকে গ্রেফতারের অবস্থান এড়িয়ে চলতে দক্ষিণ আফ্রিকা চীনের সাথে আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
ব্রিকসের বর্তমান সভাপতি দক্ষিণ আফ্রিকা। এতে আরো রয়েছে ব্রাজিল, ভারত, রাশিয়া ও চীন।
ইউরোপীয় নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক শাসন কাঠামোকে এবং প্রভাবশালী যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানানোই্ ব্রিকস গঠনের মূল লক্ষ্য।
সূত্র : বাসস