তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করবে বলে আমরা আশা করব। আমরা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে যাব।’
একই প্রশ্নকারী বলেন, গত বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে সফররত আওয়ামী লীগের এক সংসদ সদস্যের (শামীম ওসমান) সামনে এক বিরোধী দলীয় কর্মী বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মাথায় এই বিরোধী কর্মীর বাংলাদেশে থাকা পরিবারের সদস্যরা হামলার শিকার হন। হামলার ঘটনাটি ফেসবুক লাইভে প্রচার করে বলা হয়, দেশের বাইরে যারা ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাঁদের বাড়িতে হামলা করে জবাব দেওয়া হচ্ছে। কেউ যদি যুক্তরাষ্ট্রে বসে ক্ষমতাসীন দলের বিপক্ষে কথা বলে, প্রতিবাদ করে, তাহলে দেশে তার পরিবার নিরাপদ নয়। এ ব্যাপারে মন্তব্য জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে মিলার আগের কথার পুনরাবৃত্তি করে বলেন, যে ধরনের হামলার কথা বলা হলো, গণতান্ত্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তার কোনো স্থান নেই।
সোমবার ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি’ দাবি করে তিনি প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন।
উপনির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী মোহাম্মদ এ আরাফাত। তিনি পেয়েছেন ২৮ হাজার ৮১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একতারা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল হোসেন আলম (হিরো আলম) পেয়েছেন ৫ হাজার ৬০৯ ভোট। এ আসনের ভোটার ৩ লাখ ২৫ হাজার ২০৫ জন। নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ এ আরাফাত হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বনানীতে নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যদি তারা আমাদের দলের কর্মী হয়, তাহলে দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি চাই সত্যটা উন্মোচিত হোক।’
এই আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ৫ মাস আগে এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো।