৮০০ বছরের পুরোনো এই মসজিদটিকে ‘বিতর্কিত’ হিসাবে আখ্যা দিয়ে তিনি তহসিলদারকে মসজিদের দায়িত্ব নিতে বলেন। ৮০০ বছরের পুরোনো মসজিদটি উত্তর মহারাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং ওয়াকফ বোর্ডের অধীনে নিবন্ধিত একটি সম্পত্তি। দ্য ওয়্যার জানিয়েছে, কালেক্টরের আদেশ এবং তা পাস করার ক্ষমতা বোম্বে হাইকোর্টের ঔরঙ্গাবাদ বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এরপরও জুম্মা মসজিদ ট্রাস্টের সদস্য আসলাম আশঙ্কা করছেন, অভূতপূর্ব এই আদেশটি রাজ্যের আট শতাব্দী প্রাচীন মসজিদকে ঘিরে সাম্প্রদায়িকতার সূচনা করেছে। প্রাচীন এই মসজিদকে নিয়ে কোনো বিতর্ক না থাকলেও সম্প্রতি ‘পা-বওয়াদা সংঘর্ষ সমিতি’ নামে একটি অনিবন্ধিত সংগঠনের অভিযোগের কারণে মসজিদটি হঠাৎ করেই বিতর্কের জায়গা হয়ে ওঠে। অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম প্রসাদ মধুসূদন ডান্ডাওয়াতে। গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে জলগাঁও জেলা কালেক্টর আমান মিত্তালের কাছে এই মসজিদ নিয়ে একটি আবেদন করেন তিনি। এছাড়া অভিযোগকারী ডান্ডাওয়াতে কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল আরএসএস এবং বজরং দলের সদস্য। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, মসজিদটি একটি হিন্দু উপাসনালয়ের ওপরে তৈরি করা হয়েছিল এবং রাজ্য কর্তৃপক্ষের সেটি দখল করা উচিত। অভিযোগকারী আরও দাবি করেন, জুম্মা মসজিদ ট্রাস্ট জায়গাটি ‘অবৈধভাবে’ দখল করেছে। ১৯৯২ সালে ভারতের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে দেশটিতে পাস করা একটি আইনে পুরোনো স্থাপনা বা স্মৃতিস্তম্ভগুলোর ক্ষতি বা পুনরুদ্ধার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দ্য ওয়ার।
মহারাষ্ট্রে ৮শ’ বছরের পুরোনো মসজিদ বন্ধ করা হলো
ভারতে ৮০০ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঐতিহাসিক ওই মসজিদটি ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে অবস্থিত এবং দেশটির কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি হিন্দু গোষ্ঠীর...