সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও প্রচার সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল, মহানগরী উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুর রহমান মুসা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
তিনি বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব হলো দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সরকার তার দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সরকারের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরোধীদলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ২০১৪ ও ২০১৮ স্টাইলে আরেকটি নির্বাচনের নামে প্রহসন করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা। এ লক্ষ্য হাসিলের জন্য তারা জামায়াতে ইসলামীকে সভা-সমাবেশ ও মিছিল করতে দিচ্ছে না।’
অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আরো বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে সারা দেশে জামায়াতের ৭ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জামায়াত নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে হানা দিয়ে মূল্যবান আসবাবপত্র ভাঙচুর ও তছনছ করছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নারীদেরকে নাজেহাল করছে। কোনো কোনো এলাকায় পুরুষ নেতাকর্মীদের না পেয়ে তাদের স্ত্রী-সন্তানদের গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এসব কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ বেআইনি ও মানবাধিকার পরিপন্থি। মনে রাখা দরকার, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের সেবক। তাদের কোনো দলের পক্ষে নয় বরং নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তা না হলে দেশে আইনের শাসন বিঘ্নিত হবে এবং দেশে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি আরো ব্যাপক রূপ লাভ করবে।’