শনিবার দুপুরে আদালতের রায় ঘোষণার পর লাহোরের জামান পার্কের বাসভবন থেকে পাঞ্জাব পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ইমরান খানকে ১ লাখ রুপি অর্থদণ্ডও দিয়েছেন আদালত।
ইমরানের বিরুদ্ধে তোশাখানার মামলাটি করে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। এ মামলায় ইমরানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় পাওয়া উপহার রাষ্ট্রীয় তোশাখানায় জমা না দিয়ে বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ইমরান খান ইচ্ছাকৃতভাবে ইসিপিতে (তোশাখানা উপহারের) জাল বিবরণ জমা দিয়েছেন। দুর্নীতির জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাকে নির্বাচনী আইনের ১৭৪ ধারার অধীনে ৩ বছরের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পাকিস্তান সরকারের তথ্যমন্ত্রী মরিয়ম আওরঙ্গজেব সাংবাদিকদের বলেন, 'আজ একজন চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।'
পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারান। মেয়াদ পূর্তির আগেই, খুব সম্ভবত আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে সংসদ ভেঙে দেওয়া হতে পারে। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বা তার আগেই হতে পারে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন।