ইকোওয়াসের দেওয়া আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই, ভাগনারের সহায়তা চাইল অভ্যুত্থানকারীরা। অভ্যুত্থানকারীদের নেতা জেনারেল সালিফু মোদি প্রতিবেশী দেশ মালিতে সফরের সময় সেখানে ভাগনারের একজনের সঙ্গে আলাপ করেছেন। বার্তা সংস্থা এপিকে নিশ্চিত করেছেন বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত ওয়াসিম নাসর নামে এক সাংবাদিক।
মালির তিনটি সূত্র এবং দেশটিতে থাকা ফরাসি কূটনীতিকদের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উল্লেখ করে নাসর বলেছেন, ‘অভ্যুত্থানকারীদের তাদের (ভাগনার) প্রয়োজন। কারণ, তাঁরা (অভ্যুত্থানকারীরা) যেকোনো মূল্যে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়।’ নাসর জানান, এখনো নিশ্চিত করে না জানালেও ভাগনার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
এদিকে, মোহাম্মদ বাজুমে নিজেকে জিম্মি বলে ঘোষণা করেছেন। তাঁর মুক্তি এবং তাঁকে পুনরায় ক্ষমতায় বসাতে আজ রোববার পর্যন্ত অভ্যুত্থানকারীদের সময় দিয়েছিল ইকোওয়াস। সেই আল্টিমেটাম বাস্তবায়িত না হলে সামরিক হস্তক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয় ইকোওয়াসের পক্ষ থেকে। তবে বাজুমের মুক্তির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি এবং তাঁরা যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে সতর্ক করে। জেনারেল মোদি বলেছেন- তাঁরা নিজেদের দেশকে ‘নতুন লিবিয়া’ হওয়ার হাত থেকে রক্ষায় যে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা নেবে।
আফ্রিকা মহাদেশে পশ্চিমা বিশ্বের কাউন্টার টেররিজমের অন্যতম সহযোগী দেশ ছিল নাইজার। তবে সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির নেতারা রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছেন। বিশ্লেষকদের ধারণা, ভাগনারের সহায়তা চাওয়া এরই একটি প্রমাণ। উল্লেখ্য, ভাগনার মালিসহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে কাজ করছে।