তিনি বলেন, বিএনপি মনে করে এটা (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন) নাম পরিবর্তন করে নিবর্তনমূলক আইন প্রনয়নের করার নামান্তর। তারা এটার নাম পরিবর্তন করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এগুলো হচ্ছে মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা ও বিদেশীদের প্রচÐ চাপ আছে, আন্তর্জাতিকভাবে চাপ আছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে, তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করা আরকি। এটা হচ্ছে, খুব ঝড়ের মধ্যে একটা উট পাখি মাথা গুজে থাকে, ওরা ভাবছে এভাবে মানুষকে বোকা বানিয়ে খুব বুদ্ধিমানের কাজ করছে। তারা মানুষকে বোকা ভাবে। এটা কিন্তু ঠিক না। এটাতে প্রমাণিত হচ্ছে যে, তাদের লক্ষ্যটা হচ্ছে একই কায়দায় তারা করছে।
এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের পুরো বিষয়টা আমরা এখনো পাইনি। আমরা দেখতে চাই যে, কি এসেছে তা দেখে গণমাধ্যমে সামনে পরবর্তিতে কথা বলব। স্থায়ী কমিটির বৈঠকের বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।
সরকার আবারো যেনোতেনোভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চক্রান্ত করছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এখন সামনে নির্বাচন আছে। এজন্য তারা (ক্ষমতাসীনরা) একটু চেহারা পাল্টিয়ে ভদ্র লোক সাজছে। লক্ষ্য একটাই। যেনোতেনো প্রকারে, সেটা শক্তি দিয়ে হোক, যেভাবেই হোক তারা আবারও একইভাবে নির্বাচনটাকে তাদের পক্ষে নিয়ে আসতে চায়। সেভাবেই তারা নীল নকসার চক্রান্ত করছে।
তিনি বলেন, বিরোধী দল যাতে নির্বাচন করতে না পারে তার সবরকম ব্যবস্থা করছে। অর্থ্যাৎ, দেয়ার ইজ নো লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড, আমাদের নেতা-কর্মী, সিনিয়র নেতাদের আটকিয়ে রাখা, রাজনৈতিক দল হিসেবে যে কাজগুলো করার সাংবিধানিক অধিকার আমার আছে সেগুলো থেকে আমাকে বিরত রাখা এবং সবচেয়ে বড় জিনিস যেটা হচ্ছে যে, নির্বাচনটাকে সম্পূর্ণভাবে তাদের আবার ক্ষমতায় যাওয়ার পথকে প্রস্তত করার জন্য সেটা ব্যবহার করা, তারজন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করা।