calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / জাতীয় / বিএনপি হাইকমান্ডের কর্মসূচি বাস্তবায়নে কড়া নির্দেশনা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

বিএনপি হাইকমান্ডের কর্মসূচি বাস্তবায়নে কড়া নির্দেশনা

ঢাকায় বিগত বড় দুটি কর্মসূচি পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘যথাযথভাবে’ বাস্তবায়ন না হওয়ায় সংগঠনের সব স্তরে আবারো কঠোর বার্তা দিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। আগামী দিনের ‘অল আউট’ আন্দোলনে আর কোনো ব্যর্থতা কিংবা সমন্বয়হীনতা দেখতে চায় না...

person
স্টাফ রিপোর্টার verified
Junior Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ৯ আগস্ট ২০২৩ • সকাল ১০:৩৯
history আপডেট: ৩ বছর আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২৯ বার পঠিত

এক দফা দাবি আদায়ে ঢাকায় গত ২৮ জুলাই মহাসমাবেশের পরদিন রাজধানীর প্রবেশপথে অবস্থান কর্মসূচি দেয় বিএনপি। বিএনপির হাইকমান্ড মনে করে, ঢাকার প্রবেশপথের প্রতিটি পয়েন্টে ২৫-৩০ হাজার নেতাকর্মী জড়ো হওয়া সম্ভব ছিল। কারণ, ২৮ জুলাইয়ের মহাসমাবেশ ঘিরে সারা দেশ থেকে লাখ লাখ নেতাকর্মী তখন ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। আর প্রতিটি পয়েন্টে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হলে পুলিশ এমন মারমুখী ভূমিকায় যেতে পারত না। সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। আন্দোলনের গতিপথও পাল্টে যেত। বিএনপির পরিকল্পনা ছিল, ঢাকায় অবস্থানরত নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করে ঢাকাকেন্দ্রিক ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে লক্ষ্যে পৌঁছানো। কেন্দ্রের নির্দেশনা অনযায়ী, নেতাকর্মীরা বেশ কিছু দিন ঢাকায় অবস্থানের প্রস্তুতি নিয়ে মহাসমাবেশে এসেছিলেন।
জানা গেছে, অবস্থান কর্মসূচির পর সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের সাথে কথা বলেছে বিএনপির হাইকমান্ড। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচিতে যাতে কোনো ব্যত্যয় না ঘটে সে অনুযায়ী সবাইকে সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

অবস্থান কর্মসূচি পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত না হওয়ায় ১২ দিন বিরতি দিয়ে সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলন আবার শুরু করতে যাচ্ছে বিএনপি ও তাদের সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। ঢাকা মহানগরীতে আগামী ১১ আগস্ট শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, সরকারের পতনের এক দফা দাবিতে শুধু রাজধানীতে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর বাইরে অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হওয়া এবং দেশের কোথাও কোথাও বন্যা হওয়াতে ঢাকার বাইরে কর্মসূচি রাখা হয়নি।

গতকাল মঙ্গলবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এক দফার ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

স্থায়ী কমিটির সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী ডা: জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার ফরমায়েশি রায় প্রদানে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। নেতারা বলেছেন, বর্তমান অবৈধ সরকার, বিচার বিভাগকে অবৈধ, অগণতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী শাসনকে স্থায়ী করার লক্ষ্যে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমন করার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে। বিচার বিভাগের সব স্তরগুলোকে দলীয়করণের মাধ্যমে উচ্চ আদালতে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, জুবাইদা রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দুদক ও দলীয় পুলিশ কর্তৃক দায়ের কৃত মিথ্যা মামলার বেআইনি ফরমায়েসি রায়, নি¤œ আদালতের স্বেচ্ছাচারিতা, উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্ছিত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চলমান আন্দোলন দমন করার জন্য ন্যক্কারজনকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্থায়ী কমিটির সভায় এক দফা দাবিতে গত ২৮ জুলাই নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ সফল করার জন্য বিএনপির যৌথ আন্দোলনে অংশ গ্রহণকারী রাজনৈতিক দলের সব স্তরের নেতা-কর্মী ও সর্বস্তরের জনগণকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানো হয়। সভা মনে করে, এই মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আরো বেগবান হয়েছে। পরের দিন ২৯ জুলাই ঢাকা মহানগরের প্রবেশ মুখে ঘোষিত কর্মসূচি পালনে জনগণ পুলিশের সহিংস বাধার মুখেও এক দফা দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করেছে। সভায় জনগণকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানানো হয়। পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে আহত নেতা-কর্মীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়। স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ওপর নৃশংস অমানবিক আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। সভায় অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সবাইকে নিঃশর্ত মুক্তি ও সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
সভায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ১ দফা আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বয় করে কর্মসূচি প্রস্তুতির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

tag ট্যাগ: #1111