ইমরান খান বর্তমানে তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় তিন বছরের সাজা ভোগ করছেন। এর পাশাপাশি তাকে পাঁচ বছরের জন্য রাজনীতি করা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, আমরা সরকারি গোপনীয়তা ফাঁসের অভিযোগে ইমরান খানের বিরুদ্ধে মামলা করা জন্য প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছি।
এ বিষয়ে পিটিআইয়ের তথ্যসচিব রউফ হাসানকে প্রশ্ন করা হলেও কোনো মন্তব্য করেননি। আস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই পাকিস্তানি রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ইমরান খান। সর্বশেষ তার গ্রেফতার কেন্দ্র করে দেশব্যাপী প্রতিবাদ করেছেন কর্মী-সমর্থকরা। বর্তমানে ইমরান খানের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা রয়েছে।
তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় গত ৫ আগস্ট ইমরান খানকে তিন বছর কারাদণ্ডের রায় দেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)।