রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া
মঙ্গলবার রাশিয়াও এ বিষয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, 'এবিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।' বস্তুত, ক্রেমলিনের বক্তব্য, কিমের আসার বিষয়ে তারা এখনো পর্যন্ত কোনো খবর পায়নি। তবে খবরটিকে ভুয়া বলে উড়িয়েও দেয়নি তারা।
২০২০ সালে দেশের সীমান্ত সিল করে দিয়েছিলেন কিম। এরপর দেশে কাউকে ঢুকতেও দেননি, নিজেও অন্য কোনো দেশে যাননি। ফলে ২০২০ সালের পর এই প্রথম অন্য দেশে বৈঠক করতে যাবেন কিম। এর আগে ২০১৯ সালে প্রথমবার মস্কো গিয়ে পুতিনের সাথে বৈঠক করেছিলেন কিম। তার দুই মাস আগে ট্রাম্পের সাথে পরমাণু চুক্তি ভেস্তে গেছে তার।
ভাগনার নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান
এদিকে মঙ্গলবারই রাশিয়ার বেসামরিক সেনাবাহিনী ভাগনারকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাজ্যে। কোনো ব্যক্তি ভাগনারে যোগ দিলে অথবা তাকে সমর্থন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের প্রশাসন।
বুধবারই এই সংক্রান্ত বিল পার্লামেন্টে পেশ হওয়ার কথা। পরিস্থিতি যা তাতে পার্লামেন্টে তা পাশ হয়ে যাবে বলেও মনে করা হচ্ছে। বিলের বলা হয়েছে, ভাগনার লুঠ, হত্যা এবং অত্যাচারের সাথে যুক্ত। ইউক্রেন এবং আফ্রিকার কোনো কোনো দেশে তারা যা করছে, তা সন্ত্রাসের নামান্তর। এ কারণেই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করতে চায় যুক্তরাজ্য।