৩০ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি আগামী ৪৫ দিনের সরকারি ব্যয় মেটানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করতে একটি স্টপগ্যাপ বিল উত্থাপন করে। স্টপগ্যাপ ফান্ডিং বিল নামে বিলটি ৮৮-৯ ভোটে পাস হয় সিনেটে। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমনসেও দ্বিপক্ষীয় সমর্থনে পাস হয় বিলটি। সিনেটে ও নিম্নকক্ষ হাউস অব কমনসে পাস হওয়ায় বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার অপেক্ষা শুধু মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদন। দ্য গার্ডিয়ান বলছে, ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাব হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল অনুমোদনে আপত্তি করবেন না।
শঙ্কাটি দেখা দেয় মূলত কট্টর ডানপন্থী রিপাবলিকানরা সরকারের ব্যয় কমানোর দাবিতে অনড় থাকায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে আইনপ্রণেতাদের একটি বড় অংশ সরকার অচল হওয়া এড়ানোর পক্ষে ভোট দেন। তারা অবশ্য বড় একটি শর্তও দেন। ‘ইউক্রেনের পেছনে আর কোনো অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা যাবে না’ এই শর্ত মেনে নেয়ায় শাটডাউনের মুখ থেকে বেঁচে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে কিয়েভকে অস্ত্র ও তহবিল দেয়াটা বাইডেন প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের বিষয়। তবে দেশটির জন্য কোটি কোটি ডলারের সহায়তা শেষ পর্যন্ত নবায়ন করা যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। হাউস অব স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি বলেছেন, রাশিয়ার হামলা ‘ভয়াবহ’। তবে তিনি মনে করেন, এ জন্য ইউক্রেনকে অগাধ অর্থ দেয়া যাবে না। তিনি বলেন, ‘যা দীর্ঘমেয়াদে ঘটতে যাচ্ছে, তা নিয়ে আমি সত্যিই উদ্বিগ্ন। তবে আমি কোনো অর্থ নষ্ট হতে দিতে চাই না।’ সূত্র: বিবিসি।