সউদী সরকারের এক বার্তায় পাকিস্তানকে জানানো হয়, কোনোভাবেই যাতে ভিখারি কিংবা পকেটমারের মতো ছিঁচকে অপরাধীরা হজের সুযোগ না পান, সে কথা জানিয়ে দেওয়া হয় স্পষ্ট ভাষায়। তার পরই সউদী যাওয়ার পথে ১৬ জন ভিখারিকে নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
হজপ্রত্যাশীদের নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে প্রতিটি দেশের জন্য কোটা নির্দিষ্ট করে দেয় সউদী আরব। কোনো দেশ থেকে কতজন মক্কায় আসবেন, তা সউদীকে আগে থেকে জানাতে হয়। কোটার মাধ্যমে আর্থিক সাহায্যও মেলে। সেই কোটার সুযোগে যাতে ভিখারি কিংবা অপরাধীরা ঢুকে পড়তে না পারে সে বিষয়ে আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সউদী আরব।
আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে জানিয়ে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়কে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের জেলগুলোতে আপনাদের দেশের কয়েদিদের ভিড় জমে গেছে। আর জায়গা নেই।’