তাই সক্ষমতার অবস্থান থেকে সরকার নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক এবং শান্তিপূর্ণ করার লক্ষ্যে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি বারংবার ব্যক্ত করছে। কমিশনও নিজস্ব সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সর্বোচ্চ সামর্থ্য যথাসম্ভব প্রয়োগ করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ, পক্ষপাতহীন ও শান্তিপূর্ণ করার দায়িত্ব পালন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে যাচ্ছে। এরপরও বিভিন্ন মহল থেকে নির্বাচন কমিশনের উপর অনাস্থা ব্যক্ত করা হচ্ছে।
নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, অংশগ্রহণমূলক হয়ে থাকে সকলের সমন্বিত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে। রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে নির্বাচন অর্থবহ হয় এবং ওতে জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে। প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলসমূহকে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন করতে হয়। নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তাকে আইন ও বিধি-বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন ও প্রয়োগ করে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আরোপিত দায়িত্ব পালন করতে হয়। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটার সাধারণের অবাধ অংশগ্রহণ এবং নির্বাচনি কর্মকর্তা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসমূহের আন্তরিক, পেশাদার ও পক্ষপাতহীন- নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন সম্ভব।