সোমবার বিকালে ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার একদফা দাবি আদায়, নিহত সাথীদের হত্যার বিচার, আহতদের সুচিকিৎসা এবং সারা দেশে গ্রেফতারকৃত হাজারো নেতাকর্মীর মুক্তি ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে সারা দেশে সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালনের জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। আশা করছি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে ও জনগণের ন্যায্য দাবি মানবে।’
হরতালের পর টানা তিন দিন দেশব্যাপী অবরোধ কর্মসূচি পালন করে বিএনপিসহ সমমনা দল ও জামায়াতে ইসলামী। পরে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় পৃথকভাবে ৪৮ ঘণ্টার একই কর্মসূচি পালন করে।
পৃথক বিবৃতিতে গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের জনগণ দখলদার আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে তাদের চূড়ান্ত অনাস্থা ব্যক্ত করেছে। দমন-পীড়নের মধ্য দিয়ে সরকার এখন গদি রক্ষার শেষ চেষ্টা করছে। কিন্তু এবার দেশের মানুষ এই সরকারকে বিদায় দিতে মরিয়া। অচিরেই গণআন্দোলন-গণঅভ্যুত্থানের পথে এই সরকার বিদায় হবে।’ চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন এগিয়ে নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপি চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদও এক বিবৃতিতে অবরোধ সফলের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এছাড়া বুধবার থেকে ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি পালন করবে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ ধারায় আন্দোলনরত ১২ দলীয় জোট, এলডিপি, নুরুল হক নুর নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ, ড. রেজা কিবরিয়া নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টিসহ আরও বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম এক বিবৃতিতে শান্তিপূর্ণভাবে অবরোধ সফল করে আন্দোলনকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।