তার মানে, এই বিচারপ্রক্রিয়া আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। গত মাসে রাষ্ট্রীয় গোপনীয় নথি ফাঁসের মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়।
ইমরান খানকে গত ৫ আগস্ট গ্রেফতার করা হয়। প্রথমে তাকে পাকিস্তানের কুখ্যাত অ্যাটক কারাগারে রাখা হয়। পরে গত ২৬ সেপ্টেম্বর সেখান থেকে তাকে আদিয়ালা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তখন ইমরান খান তোশাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। পরে তাকে সাইফার মামলায়ও গ্রেফতার দেখানো হয়।
গত বছরের এপ্রিলে পার্লামেন্টের অনাস্থা ভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়েছিল ইমরান খানকে। কারাগারে বিচার করার বিরুদ্ধে করা ইমরান খানের আপিল ১৬ অক্টোবর ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমের ফারুকের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ খারিজ করে দেন। পরে একক বেঞ্চের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্তআদালতে আপিল করেন ইমরান খান।