তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট আলভি ২০২২ সালের এপ্রিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নির্দেশে জাতীয় পরিষদ ভেঙ্গে দিয়েছিলেন। তার এ পদক্ষেপ দেশের পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ধ্বংস করে দেয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
প্রেসিডেন্ট সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের তারিখও দেননি। অথচ তিনি পুরো জাতির প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাই তিনি পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারেন না এবং একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ নিতে পারেন না। কিন্তু তারপরেও তিনি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) সাহায্য করার জন্য তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। পিটিআই-এর সভা ও ক্রিয়াকলাপের জন্য প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের এই কাজ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এছাড়া ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’ এবং ‘পাকিস্তান আর্মি অ্যামেন্ডমেন্ট বিল’-এ স্বাক্ষর না করা তার পক্ষপাতিত্বকে ফুটিয়ে তুলেছে। আবার বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে তিনি তার পদের অবমাননা করেছেন।
পিটিশনকারী আরো বলেন, এই কাজগুলি প্রেসিডেন্ট হিসেবে আলভিকে অযোগ্য প্রমাণ করেছে। তিনি সংবিধানের ৫ এবং ১২ তম অনুচ্ছেদের বিধান লঙ্ঘন করেছেন। বিভিন্ন রায়ে উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণে প্রতীয়মান হয় যে, প্রেসিডেন্ট তার সাংবিধানিক ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে এড়িয়ে গেছেন কারণ তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন এবং চরম অসদাচরণ করেছেন। অতএব, তিনি প্রেসিডেন্ট হিসাবে তার দায়িত্ব অব্যাহত রাখার যোগ্য নন। এমন অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের ঘোষণা করা প্রয়োজন যে আলভিকে আর প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্বে রাখা হবে না।