গভর্নর ডাগ ডুসি এ বছরের শুরুতে করোনাডো ন্যাশনাল ফরেস্টে অস্থায়ী বেড়া নির্মাণ শুরু করেছিলেন। কিন্তু মার্কিন সরকার গত সপ্তাহে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দাবি করেছে, সাত কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীরটি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন ভূমিতে ঢুকে পড়েছে।
তবে বুধবার ফেডারেল সরকারের সঙ্গে এক চুক্তির পর ডুসির নেতৃত্বাধীন প্রশাসন বলেছে, ‘আগে নির্মাণ করা সব শিপিং কনটেইনার এবং সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম, উপকরণ, যানবাহন ও অন্য জিনিসগুলো জানুয়ারির প্রথম দিকে সরিয়ে ফেলা হবে। ’
ওই এলাকায় কাজ করে এমনি একটি পরিবেশ-রক্ষা গোষ্ঠী সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি ওই দেয়ালের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করেছিল। সংস্থাটি দাবি করেছে, কনটেইনারের প্রাচীরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংরক্ষিত বনকে বিভক্ত করেছে, যা হুমকির মুখে থাকা প্রাণীদের আবাসস্থল এবং পানীয় জলের উৎস ও অভিবাসন রুটগুলোকে বন্ধ করে দিয়েছে।
সংস্থার একজন সদস্য রাস ম্যাকস্প্যাডেন বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, স্থানীয় বন্য প্রাণীদের অনুসরণ করার জন্য তিনি যে ক্যামেরাগুলো ব্যবহার করেছিলেন তাতে কখনোই অবৈধ অভিবাসী পাচারের কোনো ছবি ওঠেনি। এ ছাড়াও তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে আগে যে তারের বেড়াটি ছিল সেটি ছিল পর্যাপ্ত প্রতিবন্ধক।
তিনি বলেছেন, ‘এটি একটি অবিশ্বাস্যভাবে বন্য উপত্যকা। আশপাশে কোথাও মানুষের বসবাস নেই। অভিবাসীদের জন্য এটি সীমান্তের একটি খুব কঠিন অংশ। ’
ডুসি আরিজোনার গভর্নরের দায়িত্ব ত্যাগ এবং তার ডেমোক্রেটিক উত্তরসূরি কেটি হবসের দায়িত্ব গ্রহণের দুই সপ্তাহ আগে দেয়ালটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধি ছিল সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনীতির মূল বিষয়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করার সময় কয়েক হাজার লোককে আটক করা হয়েছে। আর সীমান্ত সমস্যাগুলো মোকাবেলায় ব্যর্থতার জন্য বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সরকার ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে। সূত্র : বিবিসি