জনসমাবেশস্থলে আসা দক্ষিণ সুরমা এলাকার আব্দুল আহাদ জানান, দলে দলে নেতাকর্মী ও সাধারণ লোকজন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা শুনতে উদগ্রীব হয়ে ছুটছেন আলীয়া মাদরাসা ময়দানে। সবাই তাকে এক নজর দেখার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। তিনি সিলেটকে অনেক দিয়েছেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদও জানান তিনি।
সিলেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শিউলি আক্তার জানান, বাংলাদেশের মানুষ এখন আর ধ্বংসলীলা দেখতে চায় না। তারা গণতন্ত্রকে সুসংঘটিত দেখতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ বোমাবাজ ও অগ্নি সংযোগকারীদের বর্জন করেছে। আগামীতেও আওয়ামী লীগকে ভোটে জয়যুক্ত করে গণতন্ত্রের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
এর আগে আজ বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৬০১ ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়েছেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এরপর বিমানবন্দরে সস্ত্রীক প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন খান।