সেগুলো হলো, যিনি ইমরানের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন, তিনি এই আসনের ভোটার নন; অসততার অভিযোগে সাজা খাটছেন ইমরান এবং সাজা হওয়ায় পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে অযোগ্য ইমরান, আর আদিয়ালা কারাগারে বন্দি ইমরানের মনোনয়নপত্রে সত্যায়ন করেননি কারাগারের প্রধান। অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত বছর পাকিস্তান সরকার থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই ব্যাপক প্রতিকূলতার মুখে রয়েছেন ইমরান ও তার দল পিটিআই। তিনিসহ দলের অনেক নেতা এখন কারাগারে। আর শুধু ইমরানই নন, পিটিআইয়ের অনেক নেতারও মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছেন পিটিআইয়ের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ কুরেশি ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হাম্মাদ আজহার। এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে দলটি অভিযোগ করে বলেছে, ‘ইমরান খানসহ পিটিআইয়ের ৯০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ নেতার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।’
তবে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও ইমরানসহ অন্য নেতাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আশা এখনই ফুরাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা আদালতে আবেদন করতে পারবেন। ওই আবেদনের ভিত্তিতে ১০ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত।