তারা আরও জানিয়েছে, সালেহ আল-অরৌরিকে হত্যার পর প্রতিশোধ নেওয়ার যে কথা তারা দিয়েছিল, সেই কথা অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে এই মিসাইল হামলার ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো কিছু জানায়নি হিজবুল্লাহ। এ ছাড়া ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) পক্ষ থেকেও সেনাদের ওপর হামলার ব্যাপারে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তবে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর ট্যাংক বিধ্বংসী মিসাইলের আঘাতে মানেরার একটি সেনাচৌকির দুই সেনা সামান্য আহত হয়েছেন।
সালেহ আল-অরৌরিকে হত্যার পর হামাস-ইসরাইল যুদ্ধ এখন লেবাননে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।