ওয়ান ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, পুজা শেষে অভিজিৎ মুহূর্তে ৮৬ সেকেন্ডের মধ্য রামলালার মূর্তিতে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন মঠ-মন্দির থেকে আমন্ত্রিত ১২১ ‘আচার্য’ ও পূজারির মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে ‘রামলালার’ প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। এসময় হেলিকপ্টারে করে রাম মন্দিরের উপরে ফুলের বৃষ্টি করা হয়।
এরপর বহুল আলোচিত এই রামমন্দির উদ্বোধন করেন নরেন্দ্র মোদি। উত্তর ভারতের ‘নগর ধাঁচে’ নির্মিতি এই মন্দিরটির আয়তন ৯৫ হাজার বর্গফুট। এই মন্দিরটিতে ৩৯২টি পিলার আছে এবং আছে ৪৪টি দরজা। মন্দিরটির দেয়ালগুলোতে বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা আছে। মন্দিরের সবচেয়ে পবিত্র জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে রামের পাঁচ বছর বয়সের একটি মূর্তি।
অযোধ্যায় ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার পর সেই স্থানেই নির্মিত হয়েছে রামমন্দির। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় একটি অংশের দাবি ছিল, বাবরি মসজিদ নির্মিত হয়েছিল ঐতিহাসিক রাম জন্মভূমির ওপর। সেই সূত্র ধরেই মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়। ২০১৯ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এক যুগান্তকারী রায়ে বাবরি মসজিদ ও আশপাশের জমিকে মন্দিরের জন্য নির্ধারণ করে এবং মুসলমানদের মসজিদের জন্য একটি বিকল্প প্লট দেওয়ার নির্দেশ দেয়।