দ্য ডন বলছে, অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের যারা ডাকযোগে ভোট দিতে পেরেছেন তাদের মধ্যে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি, পাঞ্জাবের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী চৌধুরী পারভেজ এলাহি, আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রধান শেখ রশিদ এবং সাবেক তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরীও রয়েছেন।
তবে ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবি ভোটে অংশ নিতে পারেননি। কারণ পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে তাকে দোষী সাব্যস্ত এবং গ্রেপ্তার করা হয়। সামগ্রিকভাবে আদিয়ালা কারাগারের ১০০ জনেরও কম বন্দি ভোট দিতে সক্ষম হয়েছেন। যা এই কারাগারের ৭ হাজার বন্দির মধ্যে মাত্র এক শতাংশ।
বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য ডন জানিয়েছে, জেল প্রশাসন শুধুমাত্র সেই কয়েদিদের ভোট দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে যাদের বৈধ কম্পিউটারাইজড জাতীয় পরিচয়পত্র (সিএনআইসি) রয়েছে। বন্দিদের অধিকাংশের আসল সিএনআইসি না থাকায় পোস্টাল ব্যালটে করে ভোট দেওয়ার সংখ্যাও কম হয়েছে।
একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডনকে বলেন, ‘অপরাধী, ডাকাত, চোর, জঘন্য অপরাধে দণ্ডিত এবং বিচারাধীন বন্দি (ইউটিপি) আদিয়ালা কারাগারে আটক রয়েছেন।’
তিনি বলেন, বেশিরভাগ অপরাধী তাদের পরিচয় এড়াতে সিএনআইসি রাখে না। আর বিচারাধীন বন্দিদের পরিচয়পত্র সাধারণত থানাগুলো আটকে রাখে।