এছাড়া মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) পাকিস্তান ১৭টি আসন, জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম (পাকিস্তান) ৪টি, পাকিস্তান মুসলিম লীগ ৩টি, স্ট্যাবিলাইজেশন পাকিস্তান পার্টি (আইপিপি) ২টি এবং বেলুচিস্তান ন্যাশনাল পার্টিও (বিএনপি) ২টি আসনে জয়ী হয়েছে।
মজলিস ওয়াহদাত আল-মুসলিমীন (এমডব্লিউএম) পাকিস্তান, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (জিয়া), পশতুন খা ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টি, ন্যাশনাল পার্টি এবং পশতুন খা মিলি আওয়ামী পার্টি একটি করে আসন জিতেছে।
পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশের পর সরকার গঠনের জন্য দলগুলোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তবে জাতীয় পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে থাকলেও দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের স্থান ধরে রেখেছে মুসলিম লীগ (এন) এবং পিপলস পার্টি (পিপিপি)।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ২৬৬টি আসনে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য কোনো দল বা জোটকে ১৩৪টি আসন পেতে হবে। একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে খাইবার-পাখতুনখাওয়া প্রদেশের একটি আসনের ভোট বাতিল করা হয়েছে এবং পাঞ্জাবের অন্য একটি আসনের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।
সূত্র : ডন