সেই মতো সব ব্যবস্থাও হয়ে গিয়েছিল। উদ্দাম হর্ষধ্বনির মধ্য দিয়ে কর্নওয়েল থেকে উৎক্ষেপণ হয় ঘড়ির সময় মিলিয়ে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় রকেট। মুহূর্তে বিষাদের ছায়া।
একটি বোয়িং ৭৪৭-কে রকেট বহনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই বিমানের নাম ‘কসমিক গার্ল’।
পরিভাষায় রকেটের নাম ‘লঞ্চার ওয়ান’। তাতে সাজানো পর পর ৯টি উপগ্রহ। যা মহাকাশে স্থাপন করার পরিকল্পনা ছিল। কসমিক গার্ল নির্ভুলভাবে লঞ্চার ওয়ানকে বহন করে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত নিয়ে যায়। তার পর কসমিক গার্লের থেকে আলাদা হয়ে যায় রকেট। সে সময়ই ব্যতিক্রমী ঘটনার জেরে তা কক্ষচ্যুত হয়ে হারিয়ে যায়।
রকেট ও উপগ্রহ হারিয়ে গেছে। যদিও ইংল্যান্ডের মহাকাশ সংস্থার দাবি, কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই। কারণ তা নিজেই জ্বলে ছাই হয়ে যাবে, কিংবা ভেঙে পড়বে কোনো মনুষ্যবর্জিত এলাকায়।