প্রত্যেক নির্বাচনের আগে, সে একটি সমস্যা সৃষ্টি করে। আমি লোভী লোকজনকে অপছন্দ করি। আমি বংশের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, তাই আমি তাকে নির্বাচনে টিকিট দেব না। আমি তাকে ত্যাগ করার এবং তার সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ওই আসনে নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়ে মমতার ভাই বলেন, ‘‘প্রসূন আমাকে যে অপমান করেছিলেন তা আমি কখনই ভুলতে পারবো না।’’ ভোটারদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বলেও জানান তিনি।
বাবুন বলেন, আমি জানি দিদি (মমতা) আমার সঙ্গে একমত হবেন না। কিন্তু যদি প্রয়োজন হয়, আমি হাওড়া লোকসভা আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।
পশ্চিমবঙ্গের মর্যাদাপূর্ণ হাওড়া আসনের তিনবারের বিজয়ী আইনপ্রণেতা প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। ২০০৯ সালে কমিউনিস্ট পার্টির কাছ থেকে আম্বিকা বন্দোপাধ্যায় বিজয় ছিনিয়ে নেয়ার পর থেকে তৃণমূলের দখলে রয়েছে এই আসনটি।
ভাইয়ের এ ধরনের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আজ থেকে ভাইয়ের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করা হলো। আমার পরিবার শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের মা, মাটি ও মানুষ। এর বাইরে আমার নিজের পরিবার বলে কিছু নেই।’
উল্লেখ্য, গত ১০ মার্চ তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ৪২ আসনের প্রার্থী তালিকা ও নাম প্রকাশ করে। সেখানে মমতা হাওড়া আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন দুবারের নির্বাচিত তৃণমূল সাংসদ ফুটবলার প্রসূন ব্যানার্জীর নাম। আর এ নিয়েই তার নিজের পরিবারের মধ্যে শুরু হয় তীব্র মতবিরোধ।