১৩ বছর আগে একই কোম্পানির আরো একটি জাহাজ অপহরণ করেছিল সোমালি জলদস্যুরা। এমভি জাহান মণি নামের ওই জাহাজে ২৫ জন নাবিক এবং তাদের একজনের স্ত্রী ছিলেন।
অনেক দেনদরবার ও দরকষাকষি শেষে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দিয়ে এক শ’ দিন পর তাদের মুক্ত করে দেশে আনা হয়।
সেই অভিজ্ঞতা থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে জলদস্যুরা এবারো বড় অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করতে পারে।
সেজন্য প্রস্তুতিও গ্রহণ করছে জাহাজের মালিকপক্ষ।
‘নাবিকসহ জাহাজটি নিরাপদে উদ্ধার করে আনাই আমাদের লক্ষ্য। সেজন্য ইতোমধ্যেই আমরা তৃতীয় একটি পক্ষের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছি যেন দস্যুরা যোগাযোগ করা মাত্রই আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারি,’ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন কেএসআরএম'র গণমাধ্যম উপদেষ্টা।
জিম্মিদের কী অবস্থা?
জিম্মি নাবিকরা সবাই সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছে জাহাজের মালিকপক্ষ।
‘জাহাজের সাথে আমরা আবারো যোগাযোগ স্থাপন করতে পেরেছি। নাবিকরা সবাই এখন সুস্থ আছেন বলে আমাদের জানিয়েছেন,’ বিবিসি বাংলাকে বলেন মিজানুল ইসলাম।
এদিকে নাবিকদের কেউ কেউ পরিবারের সাথেও যোগাযোগ করেছেন।
‘এক দিন পর আজ (বৃহস্পতিবার) ভোরে সেহরির পরে আমার ছেলের কাছ থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি মেসেজ পেয়েছি,’ বিবিসি বাংলাকে বলেন জিম্মি নাবিক আতিকুল্লাহ খানের মা শাহানুর বেগম।
আতিকুল্লাহ খান এমভি আব্দুল্লাহর চিফ অফিসার। জাহাজে জিম্মিদের সবাই সুস্থ আছেন বলে পরিবারকে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে ভারত মহাসাগরে এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটি সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়ে। জাহাজটির ২৩ নাবিকের সবাইকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।