ফিল্ড মিউজিয়াম এবং গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই গবেষণাটি জিওকেমিক্যাল পারস্পেকটিভ লেটারস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক এবং গবেষণার প্রধান লেখক ডঃ জেনিকা গ্রিয়ার এই নমুনার বিশেষত্ব নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন। ডক্টর গ্রিয়ার জানান, এটি এখনও পর্যন্ত পাওয়া চাঁদের সবচেয়ে প্রাচীন পাথরের নমুনা। এটি থেকে পৃথিবী সম্পর্কেও অনেক তথ্য পাওয়া যাতে পারে। চাঁদের সঠিক বয়স জানতে পারলে চাঁদের ইতিহাস এবং পৃথিবীর বিকাশ সম্পর্কেও অনেক নতুন তথ্য পাওয়া যাবে।
কীভাবে এই নতুন গবেষণা করা হল?
এই গবেষণায় অ্যাটম প্রোব টমোগ্রাফি নামে একটি নতুন কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। এতে লেজারের মাধ্যমে পাথরের পরমাণুগুলিকে বাষ্পীভূত করা হয় এবং তারপর নির্দিষ্ট পরমাণু পরীক্ষা করা হয়। গবেষণাপত্রটির সহ-লেখক এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিলিপ হেক জানান, চাঁদ ছাড়া পৃথিবীকে অনেকটাই আলাদা দেখাবে। তাই চাঁদ সম্পর্কে সমস্ত তথ্য বিশ্ববাসীর জানা প্রয়োজন। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এখনও এই তত্ত্বের অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাননি। তার মধ্যে চাঁদ তৈরি হতে কত সময় লেগেছে, আর কতদিন এর অস্তিত্ব রয়েছে, এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি।