এসআর শিপিংয়ের সিইও মেহেরুল করিম বলেন, তাদের জাহাজটি দস্যুর কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ‘আক্রান্ত স্থান’ থেকে কয়েকবার গতি পরিবর্তন করেছে। এটি মঙ্গলবার দুপুরে এডেন মহাসাগর অতিক্রম করছিল। ওই এলাকাটা উচ্চ ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুুটি জাহাজ এই জাহাজকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই দুই জাহাজের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে কিছুটা ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে এমভি আবদুল্লাহকে। আরও ৬৫ থেকে ৭০ নটিক্যাল মাইল চলার পর তাদের জাহাজটি আরব সাগরের নিরাপদ এলাকায় পৌঁছবে বলে জানান তিনি।
জাহাজটিতে ৩১ দিন ধরে থেকে অনেকটা নোংরা করে ফেলেছে দস্যুরা। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে জাহাজের অবস্থা এমন করেছে যে জাহাজের ভেতরের চেহারাই পাল্টে গেছে। এমভি আবদুল্লাহর নাবিকরা সেই জাহাজ চলন্ত অবস্থায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন বলে জানায় সূত্র।
জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হওয়া নাবিক শামসুদ্দিনের স্বজন বদরুল হক যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রতিদিনই শামসুদ্দিনের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের কখনো ভিডিও কলে, কখনো ফোন কলে কথা হচ্ছে। ওরা বেশ খুশিতে আছে। তার ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।’
উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুরে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হারামাইন বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।