calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / জাতীয় / খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি: আমাদের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি: আমাদের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এখন মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এত খাল-বিল, নদী-নালার দেশ আমাদের, দেশের মানুষের কেন আমিষের কষ্ট হবে! আমাদের আমিষ আমরাই তৈরি করব, আমাদের দেশের...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ • বিকাল ০৫:৩৭
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৪৮ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ৪০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি পূরণ করেও বাংলাদেশকে আমরা উদ্বৃত্ত খাদ্যের দেশে উন্নীত করি। পার্লামেন্টে যেদিন আমি ঘোষণা দিলাম যে, আজ থেকে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সেই দিন বিএনপি বিরোধী দলে, খালেদা জিয়া বিরোধী দলের চেয়ারে বসা। তার অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান উঠে দাঁড়িয়ে বললো—খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া ভালো না, তাহলে খাদ্য সাহায্য পাওয়া যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের চিন্তাধারাটা ছিল, আমরা প্রতিনিয়ত অন্যের কাছে হাত পেতে চলব। অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকব আর ভিক্ষা চেয়ে খাবার এনে খাব। যেখানে জাতির পিতা বলে গেছেন, আমাদের মাটি আছে, সোনার মাটি। আমাদের ফসল আমরা ফলাবো এবং আমরা তা প্রমাণ করেছি।

তিনি বলেন, ২০০১ সালে আমার পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পরে যখন আমি ক্ষমতা হস্তান্তর করি, তখনো ২৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য উদ্বৃত্ত আমরা রেখে গিয়েছিলাম কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ২০০৯ সালে যখন আবার সরকারে আসি, তখন দেখি সেই ২৬ লাখ উদ্বৃত্ত তো দূরের কথা, বরং ৩০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি রয়েছে বাংলাদেশে। আর যেখানে মূল্যস্ফীতি আমি এক দশমিক পাঁচ শূন্য শতাংশ রেখে গিয়েছিলাম; চালের দাম মাত্র ১০ টাকা ছিল, সেই চালের দাম ৩০ টাকার উপরে হয়ে গেছে, আর মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশে উঠে গেছে। তার ওপর বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা এবং রিজার্ভ মানি এক বিলিয়নও না—তারও কম। সেই অবস্থায় যাত্রা শুরু করেই কিন্তু বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে গেছি।

তিনি বলেন, আজকে আমরা উন্নয়নশীলে দেশের মর্যাদা পেয়েছি, ২০২৬ সাল থেকে তা শুরু হবে। এর মধ্যে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। একদিকে যেমন আমাদের গণমানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সাথে সাথে আমিষ সরবরাহের জন্য আমাদের হাঁস, মুরগি, পশু, পাখি যা কিছু দরকার। কারণ আমাদের আমিষ আমরাই তৈরি করব, আমাদের দেশের মানুষকে দেবো। আমাদের লক্ষ্য প্রথম হলো খাদ্য নিরাপত্তা দেওয়া। দ্বিতীয় হলো পুষ্টির নিশ্চয়তা দেওয়া। এখন আমরা সেই পদক্ষেপই হাতে নিয়েছি।

খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে আওয়ামী লীগের নানা উদ্যোগ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, '২০০১ সালে বিএনপি সরকার এসেই মনে হলো যেন যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছি, সেগুলোর ওপরেই যেন তাদের হামলা। অনেকের পোল্ট্রি ফার্মে বোমা মেরেছে। বোমা মেরে মুরগিই মেরে ফেলে দিয়েছে। খামার থেকে গরু নিয়ে কেটে খেয়ে ফেলেছে। পেঁপে গাছ থেকে শুরু করে ফলের গাছ—গাছগুলো কেটে ফেলে দিয়েছে। যেখানেই আমাদের আওয়ামী লীগের নেতারা ছিল, প্রত্যেককে তারা এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। তারা এটা হিসাব করেনি দেশের জন্য কত ক্ষতি হবে সে চিন্তা তাদের মাথায় ছিল না। তারা আমদানি করবে, ব্যবসা করবে ওই দিকে তাদের চিন্তা। আমাদের হচ্ছে, আমরা আমাদের নিজেদের পায়ে নিজেরা দাঁড়াব।

tag ট্যাগ: #222