২০১৬ সালের ১১ মার্চ হিজবুল্লাহকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে আরব লীগ। ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকের মিত্র পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর চাপের ফলে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল।
মেহের নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর মোকাবিলায় এবং গাজায় গণহত্যা বন্ধে ফিলিস্তিনেদের পাশে দাঁড়িয়ে হিজবুল্লাহ যেভাবে লড়ে যাচ্ছে, তা আরব দেশগুলোর জনগণের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। এটিই হয়তো আরব লীগের দেশগুলোকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকা থেকে হিজবুল্লাহকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আরব লীগের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হোসসাম জাকি গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া তার লেবানন সফরের শেষ দিন শুক্রবারে (২৮ জুন) হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ নেতা মোহাম্মদ রাদের সাথে বৈঠক করেছেন। এটি এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে আরব লীগ ও হিজবুল্লাহর মধ্যে প্রথম বৈঠক।
গত বছরের অক্টোবরে ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করার পর থেকে লেবাননের সীমান্তে হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের উত্তেজনা বেড়েছে। গাজায় ৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ৮০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
হিজবুল্লাহ বলেছে, ইসরায়েল গাজার নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা বন্ধ করলে হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের ওপর হামলা বন্ধ করবে।