এবারের ঈদে সাদেক অ্যাগ্রো থেকে ১২ লাখ টাকার ছাগল বুকিং দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোপের মুখে পড়েন মুশফিকুর রহমান ইফাত। আয়ের উৎস অনুসন্ধানে গিয়ে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল। খুলে যায় এক সাধারণ এনবিআর কর্মকর্তার অসাধারণ দুর্নীতির মুখোশ। তবে এক খাসি কেড়ে নিয়েছে মতিউরের দুই পরিবারের হাসি। ঈদের আনন্দ ছিল না তাদের পরিবারে। বিপদ আন্দাজ করে ঈদের পরপর মাকে নিয়ে মালয়েশিয়া পালিয়ে যান ইফাত।
নিজের ছেলে নয় সতিনের ছেলের ছাগলকাণ্ডে পাগল হয়ে পালিয়ে ঈদ করতে হয়েছে নরসিংদীর উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ লাকিকেও। এই ঘটনায় স্বামী মতিউরের সঙ্গে লাকির বেড়েছে দূরত্ব, সম্পর্কে ধরেছে ফাটল। দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করলেও অবশেষে শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শে আসলেন প্রকাশ্যে।
নিজের উপজেলা পরিষদের দুটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে দাম্ভিকতার শুরে বলেন, ‘ঢাকার ও নরসিংদীর জাতীয় পত্রিকা ও টেলিভিশনের বড় বড় সাংবাদিকদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে কিনেই উপজেলা পরিষদে এসেছেন লাকি। তারা আর কিছু করতে পারবে না। নিউজসহ, সব থেমে যাবে।
এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে এসব নিয়ে নানান বিতর্ক। নেটদুনিয়া এ নিয়ে এখন ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
মো. সাজ্জাদ হোসাইন নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, টাকার বিনিময়ে যাদের কেনা যায় তারা সাংবাদিক নয়। তারা দালাল।
অ্যাডভোকেট তামান্না কবির নামে একজন লিখেছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব বাধ্যতামূলক করা হোক, পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও। তাহলে দেশ থেকে দুর্নীতি অনেক কমে যাবে।
আলম খাঁন নামে একজন লিখেছেন, কোন কোন সাংবাদিক বিক্রি হলো, দয়া করে নাম প্রকাশ করুন জাতি জানতে চায়।
মো. হযরত আলী শিকদার নামে একজন লিখেছেন, আসলেই ঠিক বলেছেন লাকি। সাংবাদিকরা বিক্রি হওয়ার কারণেই আজ দেশের এই অবস্থা।