এরআগে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত ৯ জন বিচারপতির ৬-৩ ভোটের সিদ্ধান্তে ঘোষণা দেয়, আনুষ্ঠানিক, সরকারি কাজের জন্য সাবেক প্রেসিডেন্টদের বিচার থেকে সম্পূর্ণ দায়মুক্তি আছে। ফলে ২০২০ সালের নির্বাচনে ফলাফল পাল্টে দেওয়ার জন্য যে কোনো আনুষ্ঠানিক, সরকারি পদক্ষেপের জন্য বিচার থেকে দায়মুক্তি পাবেন ট্রাম্প। তবে যেসব কর্মকাণ্ড সরকারি কাজের বাইরে বলে গণ্য হবে, সেগুলোর জন্য দায়মুক্তি পাবেন না।
এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনের ফলাফল উল্টানোর অভিযোগে ট্রাম্পের বিচার ৫ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে শুরু হচ্ছে না। তবে ট্রাম্প ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে পরাজিত হলে ২০২০ সালের নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার বিচারের মুখে পড়তে পারেন। কিন্তু জয়ী হলে তিনি দেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে মামলা বাতিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এটি একটি মৌলিকভাবে নতুন নীতি, এবং এটি একটি বিপজ্জনক নজির কারণ প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা আর আইনে সীমাবদ্ধ থাকবে না, এমনকি সুপ্রিম কোর্টের কাছেও না।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ শতকের ইতিহাসে এটিই প্রথম সিদ্ধান্ত, যেখানে সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেছে যে সাবেক প্রেসিডেন্টরা যে কোনো ক্ষেত্রে ফৌজদারি অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
