ওয়াং বলেন, দুই পক্ষের একদিকে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা উচিত এবং অন্যদিকে সক্রিয়ভাবে স্বাভাবিক বিনিময় পুনরায় শুরু করা উচিত, যাতে একে অপরকে শক্তিশালী করা যায় এবং একই দিকে একে অপরের সাথে কাজ করা যায়।
জয়শঙ্কর বলেন ভারত এবং চীনের মধ্যে বিস্তৃত সাধারণ স্বার্থ রয়েছে এবং স্থিতিশীল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিকাশ উভয় পক্ষের স্বার্থে প্রয়োজন। এটি অঞ্চল ও বিশ্বের জন্যও উপকারী হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ভারত আশা করে যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভারত-চীন সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায় চালু করতে এবং গঠনমূলক-ভাবে নির্দিষ্ট পার্থক্যগুলো সমাধান করতে চীনের সাথে একসাথে কাজ করবে।
দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত এলাকার স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে কাজ করতে এবং সীমান্ত ইস্যুতে নতুন দফা আলোচনার জন্য সম্মত হয়েছেন।