তবে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ২২ জুলাই যেসব বেওয়ারিশ লাশ পাঠানো হয় সেগুলো পুরনো লাশ। চলমান কোটা আন্দোলন ঘিরে এসব নিহতের ঘটনা ঘটেনি।
ডিএমসির ফরেনসিক বিভাগের প্রধান কাজী গোলাম মুখলেসুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘২২ জুলাই যেসব বেওয়ারিশ লাশ আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামকে দেয়া হয়েছে সেই নয়টি লাশ ওই ঘটনার না। আমাদের মরচুয়ারিগুলো খালি করার জন্য আগে যে বেওয়ারিশ লাশ ছিল সেগুলো। ওই ঘটনার সাথে এগুলো সম্পর্কিত না।’
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কর্মকর্তারা জানান, ডিএমসি থেকে পাঠানো লাশগুলোর মধ্যে একটি নবজাতক শিশুর লাশও ছিল।
সংস্থাটি থেকে জানানো হয়, ২২ জুলাই সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে দুটি বেওয়ারিশ লাশ দাফনের জন্য পাঠানো হয়। আর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে ২৩ জুলাই একটি বেওয়ারিশ লাশ দাফন করার জন্য পাঠানো হয়।