ইতিমধ্যে দেশের নদ-নদী গুলোর কয়েকটি বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মানুষ বন্যা দেখেনি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই মাসে অতি বৃষ্টি ও বন্যার একাধিক পূর্বাভাস ছিল। তবে যেই মাত্রায় উজানের ঢল এসেছে, তা খুব বেশি আগে থেকে ধারণা করা সম্ভব ছিল না বলে বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে। তবে এই বিষয়ে পূর্বাভাসের ভিত্তিতে যথাযথ প্রস্তুতি যে সরকারের ছিল না তা স্পষ্ট।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে, বন্যা আক্রান্ত হয়েছে ১১টি জেলা—কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, লক্ষ্মীপুর ও কক্সবাজার। মোট ৭৭টি উপজেলার ৮ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬২৯টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
পানিবন্দী মানুষের জন্য ৩ হাজার ১৬০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে এক লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৩৯ জন লোক এবং ১৭ হাজার ৮৪৮টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ৬৩৭টি মেডিকেল টিম চালু করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বন্যার্তদের জন্য তিন কোটি ৫২ লাখ নগদ টাকা, ২০ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১৫ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।