calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / জাতীয় / আগেই ছিল ভারী বৃষ্টি-বন্যার পূর্বাভাস , গুরুত্ব দেয়নি কেউ
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

আগেই ছিল ভারী বৃষ্টি-বন্যার পূর্বাভাস , গুরুত্ব দেয়নি কেউ

দেশে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে; পূর্বাঞ্চলের ১১টির জেলার প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গত ২০ আগস্ট থেকে তিন দিনে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১৩ জন। ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানে ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০২৪ • রাত ০৯:২৩
history আপডেট: ২ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৩১ বার পঠিত

ইতিমধ্যে দেশের নদ-নদী গুলোর কয়েকটি বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মানুষ বন্যা দেখেনি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই মাসে অতি বৃষ্টি ও বন্যার একাধিক পূর্বাভাস ছিল। তবে যেই মাত্রায় উজানের ঢল এসেছে, তা খুব বেশি আগে থেকে ধারণা করা সম্ভব ছিল না বলে বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে। তবে এই বিষয়ে পূর্বাভাসের ভিত্তিতে যথাযথ প্রস্তুতি যে সরকারের ছিল না তা স্পষ্ট। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে, বন্যা আক্রান্ত হয়েছে ১১টি জেলা—কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, লক্ষ্মীপুর ও কক্সবাজার। মোট ৭৭টি উপজেলার ৮ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬২৯টি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। 

পানিবন্দী মানুষের জন্য ৩ হাজার ১৬০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে এক লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৩৯ জন লোক এবং ১৭ হাজার ৮৪৮টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ৬৩৭টি মেডিকেল টিম চালু করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বন্যার্তদের জন্য তিন কোটি ৫২ লাখ নগদ টাকা, ২০ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন চাল ও ১৫ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। 





tag ট্যাগ: #বন্যা