খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র বীরশ্রেষ্ঠ স্কয়ার এলাকায় ওই শিক্ষার্থী টিয়ারগ্যাস ও একাধিক রাবার বুলেটে আহত হন। এরপর জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যান।
ওই কলেজছাত্রীর নাম নুসরাত জাহান জেরিন, ওই তরুণী ঢাকার শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
জেরিন ১৮ জুলাই বাসা থেকে লুকিয়ে বেরিয়ে চলে যান শহরের থানামোড় এলাকায় শিক্ষার্থীদের মিছিলে। মিছিলটির গন্তব্য ছিল সাতমাথা এলাকা। সেখানে গিয়েই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন জেরিন।
জেরিন বলেন , ‘সদর থানার সামনে আসার পর পুলিশ আমাদের বাধা দেয়। বাধা পেরিয়ে মিছিলটি সাতামাথায় প্রবেশ করে। এরপর সেখান থেকে বগুড়া জেলা স্কুলের দিকে এগোতে থাকে। আমাদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়। তখন আমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ি। তখন একাধিক রাবার বুলেট লাগার কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।’
জেরিন আরও বলেন, ‘এক পর্যায়ে আমার কিডনির পাশে দুটি রাবার বুলেট লাগে। ওই সময় টিয়ারশেল লেগে আমি সাতমাথায় পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফেরার পর আমি জানতে পারি, সারাদেশে ইন্টারনেট বন্ধ। কী হয়েছে তখন পর্যন্ত আমি জানতাম না।’
'ইন্টারনেট বন্ধ থাকার ফলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, আমি মারা গেছি। অনেকেই এমনটা ভেবেছেন। তবে আমি সুস্থ হওয়ার পর এবং ইন্টারনেট চালু হলে আমি নিশ্চিত করেছিলাম গুজবে কান না দিতে।'