স্টিফেন মিলার : 'আমেরিকা শুধু আমেরিকানদের জন্য।' এমনটাই মনে করেন স্টিফেন মিলার। তাকে ডেপুটি চিফ অফ পলিসি পদে নিয়োগ করেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি ছিলেন প্রেসিডেন্টের সিনিয়র উপদেষ্টা। যাই হোক, ট্রাম্পের টিমে স্টিফেন মিলারের থাকার অর্থ, আমেরিকার মাটি থেকে অভিবাসীদের বহিষ্কার সময়ের অপেক্ষা মাত্র।
টম হোম্যান : প্রাক্তন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর টম হোম্যানকে ‘বর্ডার সিজার’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। 'অবৈধ অভিবাসীদের নিজের দেশে ফেরত পাঠানোর' জন্য তার উপরেই আস্থা রাখছেন ট্রাম্প।
এলিস স্টেফানিক : জাতিসঙ্ঘ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দেখা যাবে এলিস স্টেফানিককে। ঘোরতর চীনবিরোধী এলিস রিপাবলিকান পার্টির অন্যতম বড় ফান্ডরাইজার। এবং ট্রাম্প অনুগত। সব পরিস্থিতিতেই তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফলে ট্রাম্পের আস্থাও রয়েছে তার উপর।
লি জেলডিন : ৪৪ বছর বয়সী লি জেনডিনকে এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সির অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিয়োগ করেছেন ট্রাম্প। লি বরাবরই ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ এবং বামবিরোধী। সোমবার ফক্স নিউজকে তিনি জানিয়েছেন, 'বামপন্থী' নিয়মের অপসারণ করে সংস্থার 'অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি উন্মুক্ত' করার কাজে মন দেবেন তিনি।
সূত্র : নিউজ ১৮