calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / জাতীয় / শেষ সময়ে বাড়ছে পরামর্শক ব্যয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে,
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

শেষ সময়ে বাড়ছে পরামর্শক ব্যয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে,

একেবারেই শেষ সময়ে এসে পরামর্শক খাতে ব্যয় বাড়ছে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এছাড়া আরও কয়েকটি খাতের ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু প্রকল্পের মোট ব্যয় বাড়বে না। অর্থাৎ এক খাতের বরাদ্দ খরচ করা হবে অন্য খাতে। এজন্য ‘সাপোর্ট টু ঢাকা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪ • সকাল ০৮:৪৫
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৩৩ বার পঠিত

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক পরিকল্পনা সচিব মামুন-আল-রশীদ মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, কেন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে এত বেশি সময় লাগছে সে বিষয়ে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত। পাশাপাশি শেষ সময়ে এসে পরামর্শক ব্যয় কেন বাড়ছে সেটিও গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। পরামর্শকদের টিওআর পরীক্ষা করে দেখতে হবে সামনে তাদের কি কাজ আছে। এরপরই ব্যয় বাড়ানো যেতে পারে। এখানে অন্য খাতে টাকা বেঁচে যাওয়ায় পরামর্শক খাতে খরচ করতে চাওয়া হচ্ছে কিনা সেটিও একটি প্রশ্ন। এছাড়া সেতু বিভাগের নিজস্ব এত ইঞ্জিনিয়ার থাকতে ইন্ডিপেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার এই মুহূর্তে কেন লাগবে সেটি ভালোভাবে দেখতে হবে।

সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত নির্মাণ করা হচ্ছে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। মূল প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তবে পিপিপির শর্ত অনুযায়ী সাপোর্ট প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে সরকারের নিজস্ব তহবিলের অর্থে। এর আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও ভবন অপসারণ, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, পরিবেশ ও সামাজিক সমীক্ষা, আর্থিক মডেলিং, হস্তান্তর ও আইনগত বিষয় দেখভাল ইত্যাদি। আরও আছে স্বাধীন পরামর্শকের মাধ্যমে মূল প্রকল্পের নির্মাণ কাজ তদারকি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পুনর্বাসন ভিলেজ তৈরি করা।

শুরু থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সাপোর্ট প্রকল্পের আওতায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৫৯০ কোটি ৩২ লখ টাকা। এক্ষেত্রে আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৯৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৯১৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এছাড়া প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে ৯৬ দশমিক ৭০ শতাংশ। কিন্তু এ পর্যায়ে এসে প্রকল্পের অন্তঃঅঙ্গ ব্যয় সমন্বয়ের মাধ্যমে পরামর্শক খাতে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ১৭১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এ খাতে বর্তমান বরাদ্দ আছে ১৬৭ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এছাড়া অপ্রকাশিত ব্যয় খাতে বর্তমান বরাদ্দ ২ কোটি টাকা থেকে ৯ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ২ কোটি ৯ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মিটিং বা ওয়ার্কশপের সম্মানি ভাতার ক্ষেত্রে ৩২ লাখ টাকা বাড়িয়ে মোট ৭২ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এসব খাতের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে পিইসি সভায় প্রশ্ন তোলা হবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিন্তু সাপোর্ট প্রকল্পটির আর্থিক ও বাস্তব অগ্রগতি এখনো শতভাগ কেন হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়বেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। আন্তঃঅঙ্গ ব্যয় সমন্বয় প্রস্তাবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ বলেছে, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক প্রকল্প হিসাবে এ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। এর মূল ব্যয় ছিল ৩ হাজার ২১৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এরপর নতুন অঙ্গ অন্তর্ভুক্তিসহ নানা কারণে প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ৪ হাজার ৯১৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

এছাড়া মূল অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এরপর প্রথম সংশোধনের সময় ৬ বছর মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। এতেও শেষ না হলে দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে সাড়ে ৩ বছর বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। সর্বশেষ সম্প্রতি প্রকল্পের ব্যয় না বাড়িয়ে মেয়াদ এক বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ফলে সাড়ে ৩ বছরের এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সময় যাচ্ছে প্রায় ১৪ বছর।