calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / সামরিক আইন জারি : দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট সমালোচনার মুখে ক্ষমা চাইলেন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

সামরিক আইন জারি : দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট সমালোচনার মুখে ক্ষমা চাইলেন

গত মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ কোরিয়ায় আকস্মিকভাবে সামরিক আইন জারি করায় তীব্র সমালোচনার মুখে অবশেষে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। অবশ্য পরে চাপে পড়ে তা প্রত্যাহারের ঘোষণাও দেন তিনি।

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ • দুপুর ০১:৫৭
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৯৮ বার পঠিত

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে ইউন বলেন, ‘দেশে সামরিক আইন ঘোষণার জন্য আমি খুবই দুঃখিত এবং আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’ 

ভাষণে প্রেসিডেন্ট উইন আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনেকটা মরিয়া হয়ে আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু এটা জনগণের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছিল। তাদের অসুবিধায় ফেলেছিল। ’

তিনি বলেন, ‘এই ঘোষণার ফলে যে কোনও আইনি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির দায় আমি এড়াতে পারি না। মানুষের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে যে আরেকবার সামরিক আইন জারি করা হবে কিনা; তবে আমি আপনাদের স্পষ্টভাবে এটা বলতে পারি যে, আরেকবার সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেওয়া হবে না।’

বিরোধীদের দাবির মুখে, ধারণা করা হচ্ছিল এই ভাষণে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিবেন। কিন্তু তা না করে তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার দায়িত্ব ক্ষমতাসীন দলকে অর্পণ করবেন। অভিশংসন বিষয়েও তিনি কোনও মন্তব্য করেননি। 

তবে বিরোধীরা বলছেন, অনেক দেরি করে ফেলেছেন ইউন সুক-ইওল।  প্রেসিডেন্টকে অভিশংসনে আজ শনিবার দেশটির পার্লামেন্টে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। 

মনে করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে পদ ধরে রাখতে ইউন সুক-ইওলের ক্ষমা চাওয়াই এখন আর যথেষ্ট নয়।  পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হলে, তাকে এখন স্বেচ্ছায় আগে পদত্যাগ করতে হতে পারে, না হয় অভিশংসনের মুখোমুখি হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।