সভায় বক্তাগণ বলেন যে, গত প্রায় তিন (০৩) দশক যাবৎ ইন্ডিয়ার নাগরিক সংখ্যা লঘু মুসলমানদের উপর সে দেশে উগ্রবাদি সন্ত্রাসী গুষ্টিগুলোর ক্রমাগত হামলা, অত্যাচার ও নিপিরন বৃদ্ধি পেয়েছে। রাষ্ট্রিয় পৃষ্ট পোষকতায় মুসলমানদেরকে নিজ দের্শেই বিদেশি বানাতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছেন হিন্দুত্ব বাদী বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মদির ছায়ার তলে থেকেই প্রতিদিন বিভিন্ন অযুহাতে নিরিহ মুসলমানদেরকে নির্মম ভাবে হত্যা করছে চরমপন্থি আরএএসএস এর অনুশারী ও ভক্তরা। চিন নিরবে হুইঘুর মুসলমানদের বংশবিলিন করছে ও ইন্ডিয়া এক আল্লাহ বিশ্বাসে বিপরিতে মুসলমানদেরকে "জয় শ্রীরাম" বলতে বাধ্য করছে। আমেরিকায় পৃষ্ট পোষকতায় ইসরাইল ফিলিস্থিন মুসলমানদের বেচে থাকার অধিকার কেরে নিয়ে গাজায় ধ্বংসযোগ্য চালাচ্ছে। সর্বত্রই আজ মানবাধিকার ভুলণ্ঠিত। বাংলাদেশের সিমান্ত ও পাহাড়ী জেলাগুলো ইন্ডিয়ান থাবায় গত তিপান্ন বছর যাবৎ রক্তাত হচ্ছে।
বিশেষ অতিথি হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী বলেন, অবিলম্বে বাংলাদেশে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রয়ের কার্যক্রম নিষেদ্ধের দাবী জানান ও চট্টগ্রামের এডভোকেট আলিফ হত্যার উপযুক্ত শাস্তি দাবী করেন। হেফাজত নেতা ভারতের মুসলমানদেরকে উদ্দেশ্যে করে বলেন যে, আপনারা ভয় পাবেন না বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের সাথে আছে।
সমাবেশে ইন্ডিয়ান মুসলমানদের রক্ষায় ভারতে জাতিসংঘ শান্তিবাহিনী মোতায়েনের দাবী জানিয়েছেন ন্যাপ বাংলাদেশের মহাসচিব নেয়াজ আহমদ খান। বাংলাদেশের সীমান্তেও পাহাড়ী এলাকায় সেনা সদস্য হত্যায় ইন্ডিয়াকে দায়ী করে ন্যাপ নেতা আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়েরের দাবী জানান।
সভায় বক্তাগণ আর বলেনে যে, বাংলাদেশে শান্তি প্রিয় জনগণ ঐ সকল নির্মম ও মর্মান্তিক ঘটনায় ব্যথিত ও উদ্ভিন্ন। দেশে দেশে প্রক্যাশে ও গোপনে মুসলমান ও তাদের প্রার্থনা কেন্দ্র মসজিদ ধ্বংসের উন্মাদোনা দেখে সুস্থ্য চিন্তার মানুষেরা বিচলিত। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ও আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার দিবষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশী বিহারী পূণর্বাসন সংসদ (বিবিআরএ) ইন্ডিয়ায় মুসলিম নির্যাতন বন্ধে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকাস্থ মিরপুর-১০ গোলচক্কর প্রধান সড়ক হতে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রার মাধ্যমে বিহারীরা জাতিসংঘ কার্যালয় ঘেরাও করে।