নতুন আইনে বলা হয়েছে, ‘সন্ত্রাসী’ তালিকায় থাকা কোনো গোষ্ঠী যদি সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম বন্ধ করে থাকে, তবে তাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করা হবে।
২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া প্রথম যে গোষ্ঠীগুলিকে ‘সন্ত্রাসী’ তালিকায় যুক্ত করেছিল, তাদের মধ্যে ছিল তালেবান। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের তৎকালীন সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে তারা। তবে এখনো পর্যন্ত বিশ্বের কোনো দেশই আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। এই অবস্থায় রাশিয়া যদি নতুন আইনে তালেবানকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ তালিকা থেকে বাদ দেয়, তবে তা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
অন্য দিকে, সিরিয়ার এইচটিএস-এর ক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ করতে পারে মস্কো। ২০২০ সালে এই গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল পুতিন সরকার। তবে সম্প্রতি রাশিয়ার বন্ধু বাশার আল আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করে সিরিয়ার দখল নেন বিদ্রোহীরা। এইচটিএস গোষ্ঠীই এই পালাবদলে মূখ্য ভূমিকা নিয়েছে। বিদ্রোহীরা সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাস দখল করতেই দেশ ছেড়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন বাশার। তবে তা সত্ত্বেও সিরিয়ার নতুন সরকারের বন্ধুত্ব গড়তে উদ্যোগী পুতিন।