এই তুর্কি নেতা বলেন, যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ার জনগণ এখনোই ভারী বোঝা বহন করতে সক্ষম হবে না। দেশটিকে পুনর্গঠন এবং একটি জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। সিরিয়ার প্রতিবেশী, বন্ধু এবং ভ্রাতৃপ্রতিম দেশগুলোর দ্রুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সমর্থন নিয়ে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এরদোগান বলেন, আমি এটি খুব স্পষ্ট করে বলছি। দুর্ভাগ্যবশত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সিরিয়ার জনগণকে যথেষ্ট সহায়তা করে করেনি, যখন তারা গত ১৩ বছর ধরে সহিংসতায় ভুগছিলেন। এখন এই অভাব পূরণ করার সুযোগ এসেছে বলে মনে করেন এরদোগান।
তার মতে, সিরিয়ার পুনর্গঠনে ব্যাপক সমর্থনের প্রয়োজন হবে। তুরস্ক ইতোমধ্যে দামেস্কতে দূতাবাস পুনরায় চালু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সিরিয়ান জনগণের প্রতি আঙ্কারা সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানান এরদোগান।