যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যস্থতাকারী কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি বলেছেন, ইসরাইলের পার্লামেন্টে অনুমোদন পাওয়ার পর এই চুক্তিটি আগামী রোববার (১৯ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে হামাসের প্রশংসা করেছেন।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বইতে লেখা থাকবে গাজায় একসময় একদল জনতা হাজার হাজার শিশু ও নারীকে হত্যা করেছিল। সবাই বুঝতে পারবে যে, জনগণের ধৈর্য এবং ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ বাহিনী ও প্রতিরোধ ফ্রন্টের দৃঢ়তাই ইহুদিবাদী সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল।’
এদিকে, এক বিবৃতিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বলেছে, ‘যুদ্ধের সমাপ্তি এবং ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার (ইসরাইল) ওপর যুদ্ধবিরতি আরোপ ফিলিস্তিনের জন্য একটি স্পষ্ট এবং অসাধারণ বিজয় এবং ইহুদিবাদী শাসনব্যবস্থার জন্য একটি বৃহত্তর পরাজয়।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রতিরোধ বাহিনী এখনও জীবিত, সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী। তারা আল-আকসা মসজিদ এবং জেরুজালেমকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিতে গভীর বিশ্বাস রাখে।’
এছাড়া ইসরাইলের যেকোনো যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে ‘নতুন যুদ্ধ এবং অপরাধ’ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত বজায় রাখারও কথা বলেছে বিপ্লবী গার্ড।