এ ছাড়া মামলাযোগ্য সব ঘটনায় যথাসময়ে মামলা নিতে এবং জিডির বিষয়ে যথাযথ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেন তিনি।
থানা এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘অযথা যে সব মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট কার ঘোরাঘুরি করে সেগুলো তল্লাশি করতে হবে। ছিনতাই প্রতিরোধে বিশেষ করে ভোর বেলায় পুলিশি টহল আরো জোরদার করতে হবে। চাঁদাবাজ যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’’
মতবিনিময় সভায় ভাটারা থানার এএসআই মো. মেসবাহ উদ্দিনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি এএসআই মো. মেসবাহ উদ্দিনের সাহসিকতাপূর্ণ কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তা অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের জন্য অনুকরণীয় বলে উল্লেখ করেন।
গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভাটারার জে-ব্লক এলাকায় ছুরিকাঘাতে আহত হওয়া সত্ত্বেও অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বের পরিচয় দিয়ে নিজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাটারা এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও কুখ্যাত ছিনতাইকারী মো. মোবারক হোসেন নাফিজকে (২২) গ্রেপ্তার করেছিলেন এএসআই মেসবাহ। এ ছাড়া চলমান বিশেষ অভিযানে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি ও মোহাম্মদপুর থানার ওসি অধিক সংখ্যক পেশাদার ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার করায় তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম প্রমুখ।