শুরায়ি নেজামের ইজতেমা আয়োজক কমিটির মিডিয়া সমন্বয়কারী হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, বুধবার ফজরের পর ভারতের বেঙ্গালোরের তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বি ফারুক সাহেবের বয়ান দিয়ে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এটি বাংলায় অনুবাদ করেন মুফতি আমানুল হক। এরপর হেদায়াতি বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান, যার অনুবাদ করেন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মতিন। পরে নসিয়তমূলক বক্তব্য পেশ করেন ভারতের মাওলানা ইব্রাহিম দেওলা, যা বাংলায় অনুবাদ করেন মাওলানা জুবায়ের।
এরপর দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে আখেরি মোনাজাত শুরু হয়, যা চলে ১২টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত। এই মোনাজাতে বিশ্ব শান্তি, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও কল্যাণ কামনা করা হয়।
এদিকে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মাওলানা সা’দ অনুসারী মুসল্লিদের তিন দিনের বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে, যা ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ওই দিন আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শর্ত মেনে এবার ইজতেমা করছেন সা’দ অনুসারীরা। সরকারি নির্দেশনা অনুসারে, টঙ্গীর ময়দানে তাদের জন্য এটাই শেষ ইজতেমা।
বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। মুসল্লিরাও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ইজতেমায় অংশগ্রহণ করছেন।
বিশ্ব ইজতেমা মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সম্মেলন, যেখানে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমান একত্রিত হয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। এবারের ইজতেমার সফল সমাপ্তির মধ্য দিয়ে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনার নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।